Advisory

কৃষি সংক্রান্ত পরামর্শ : ফেব্রুয়ারী মাসের দ্বিতীয় পক্ষকাল

Feb 23, 2017: এ সময়ে কৃষক ভাইদের জমিতে রবি মরশুমের বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ হচ্ছে। বর্তমানে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এর মধ্যে উঠানামা করছে। গম, তৈরবীজ ও ডাল শষ্যে দানা বা শুটি বাঁধার সময় হয়েছে, তাই প্রয়োজনে জলসেচ দিয়ে মাটির তস্ ধরে রাখতে হবে। বোরো ধান চাষে, নিড়ানী যন্ত্রের সাহায্যে লম্বায় ও প্রস্থে আড়াআড়ি ভাবে নিড়ি দিয়ে ঘাস বাছাই করতে হবে।

 পরামর্শ:

*শ্রী পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে মূল জমিতে চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যেই ঘাস বাছাই করে তিন রকমের জীবানু সার-এজেটোবেকটর, পি.এইচ.বি ও কে,এম.বি প্রতিটি ৭০০ গ্রাম/কানি হিসেবে প্রয়োগ করতে হবে। তারপর ২০ দিনের মাথায় ২য বার নিড়ানী যন্ত্রের সাহায্যে নিড়ি দিয়ে ঘাস বাছাই করে দিতে হবে।

*মশুর ডাল, ছোলা এবং মুগ এর ফুল থেকে ফর বের হচ্ছে। এই সময় জমির তরিস্ বজায় রাখতে নিয়মিত হালকা জলসেচ (স্প্রের মত) করতে হবে।

*সরিষা ও তিসি ফসল মোটামোটি পাকতে শুরু করেছে এই সময় প্রয়োজন অনুসারে জমিতে তস্ বজায় রাখতে সেচ দিতে হবে। আবার জলদি জাতের সরিষা গাছগুলো ৫০% শুকিয়ে গেলে কেটে ফেলতে হবে।

*এ সময়ে বোরো ধানের (রোয়া করার ২০-৩০ দিনের মাথায়) জমিতে পূর্নাংগ মাজারা পোকা উপস্থিতি দেখা যায়। মাজরা পোকার ডিমের গাঁদা সংগ্রহ করে নষ্ট করে দিন।

*মাঠে ইংরেজী “ T” আকৃতির বাঁশের তৈরী পাখী বসার স্থান (কানি প্রতি ৮-১০টি) করে দিন।

*মাজরা পোকার উপস্থিতি আর্থিক ক্ষতির সীমা ( ১টি ডিমের গাদা/বর্গমিটারে)করলে রাসায়নিক কীটনাশক যথা- ক্লোরানট্রানিলিপ্রোল ০.৪ জি (যথা- ফারটেরা ০.৪জি) কানি প্রতি ১ কেজি ৬০০গ্রাম হারে প্রয়োগ করুন।

রাজ্য কৃষি গবেষনা কেন্দ্রের কৃষিতথ্য শাখা, অরুন্ধতীনগর –এর পক্ষ এটা থেকে জানানো হয়েছে।

Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

To Top